মঙ্গলবার,২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

তামিমের কাছে বড় স্কোর তাড়া করার রহস্য ফাঁস করলেন কোহলি

মুক্তখবর :
মে ১৯, ২০২০
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০ (ক্রীড়া প্রতিবেদক) : বাংলাদেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় তারকাকে নিয়ে ফেসবুক আড্ডায় বসেছিলেন। তিনি বিরাট কোহলি। রান তাড়া করে দলকে জেতাতে ক্রিকেট বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান কোহলি। রান তাড়া করতে গিয়ে ২৬টি সেঞ্চুরি করেছেন কোহলি, দল জিতেছে ২২ বার। সাফল্যের হার প্রায় ৮৫ শতাংশ। ফেইসবুক আড্ডার শুরুতেই তামিম সেই প্রশ্নটি রেখেছিলেন এই মুহূর্তে বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানের কাছে। সোমবার ফেসবুকের আলাপচারিতায় অবিশ্বাস্য রান তাড়ার রহস্য জানাতে গিয়ে কোহলি বললেন মুশফিকের মতো উইকেটকিপারদের স্লেজিং তাকে ভীষণই উদ্ধুদ্ধ করে। সফল রান তাড়ার ব্যাপারে তার আত্মবিশ্বাস জন্মায় আসলে ছোটবেলায়, ভারতের হার দেখে।

জবাবের শুরুতে মজার ছলে নিজের মানসিক দৃঢ়তার কথাও বলেছেন ভারত অধিনায়ক, ‘খুব জটিল কিছু নয়। কখনও কখনও মুশফিকরাও উইকেটের পেছন থেকে সহায়তা করে। তারা উইকেটের পেছনে থেকে স্লেজিং করে, তাতে আমার মনোযোগ বেড়ে যায়। আমি আরও অনুপ্রাণিত হই।’
ছোটবেলা থেকেই রান তাড়ার প্রতি বিশেষ ভালো লাগা ছিল কোহলির। কীভাবে ভালো লাগাটা তৈরি হলো গল্পটা জানিয়েছেন, ‘আমি তরুণদের মাঝেমাঝে বলি, আত্মবিশ্বাস থাকাটা খুব জরুরি। নিজের প্রতি বিশ্বাস না থাকলে কিছু করা সম্ভব নয়। ছোটবেলায় টিভিতে খেলা দেখতাম। ভারত কোনও ম্যাচ রান তাড়া করে জিততে না পারলে আমি ভাবতাম, আমি থাকলে ম্যাচটি জেতাতে পারতাম। সত্যিই এমন স্বপ্ন দেখতাম আমি।’

কোহলির মতে, রান তাড়ার বিষয়টি উপভোগ করতে পারলে চাপ বলে কিছু থাকে না, ‘রানা তাড়া করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, জানা থাকে একজন ব্যাটসম্যানকে ক্রিজে নেমে আসলে কী করতে হবে। আমার কাছে এর চেয়ে পরিষ্কার পরিস্থিতি আর কিছু নেই। আমি রান তাড়ায় কখনও চাপ অনুভব করি না। আমি এটাকে সুযোগ মনে করি। আমার মনে হয়, এটা এমন এক পরিস্থিতি যেখানে আপনি জিতিয়ে অপরাজিত থেকে আসতে পারবেন। আমার মনে হয় চাপ না ভেবে, উপভোগ করতে পারলেই রান তাড়াতে সফল হওয়া সম্ভব।’

নিজের সাফল্যের ব্যাপারে কোহলি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানসিকতা গড়ে নিয়েছি। তরুণদেরও সেটাই বলি। ছোটবেলায় যখন টিভিতে ম্যাচ দেখতাম, তখন ভারত যদি রান তাড়া করতে গিয়ে কোনো ম্যাচ হারতো আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতাম যে আমি থাকলে ঠিকই জিতে ফিরতাম। সত্যি বলছি, ছোটবেলা থেকেই এরকম ভাবতাম। আমি কঠিন পরিস্থিতিকে কখনো চাপ হিসেবে দেখি না, বরং সুযোগ হিসেবে দেখি। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয়ের পানে ছুটতে চাই! ২০০৯ সালের পর থেকে কোহলি বদলেছেন। তবে তার আগে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন, সেই ব্যর্থতায় তাকে সাফল্যের পথ দেখায়, লাইভ আড্ডায় তামিমকে সেটিই জানালেন কোহলি। উল্লেখ্য, এর আগে আরেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা যুক্ত হয়েছিলেন তামিম ইকবালের এই ডিজিটাল আড্ডায়।