সোমবার,১০ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্য

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ১, ২০২০
news-image

-ফারমার্স ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি-
ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমারসহ (এস কে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে আরো তিনজন সাক্ষী তাঁদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে ১৮ সাক্ষীর মধ্যে সাতজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তিনজন সাক্ষ্য দেন। যে তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁরা হলেন সোনালী ব্যাংক সুপ্রিম কোর্ট শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার সাদিকুল ইসলাম, শাখাওয়াত হোসেন মিশন ও একই শাখার সিনিয়র অফিসার আওলাদ হোসেন। এ সময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এর আগে মামলার জামিনে থাকা ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা আদালতে উপস্থিত হন। এ ছাড়া এ মামলায় কারাগারে থাকা ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীকে (বাবুল চিশতী) আদালতে হাজির করা হয়। এদিকে, মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ চার আসামি এখনো পালাতক। অন্য তিন আসামি হলেন ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তাঁর স্ত্রী সান্ত্রী রায়। গত ২৫ আগস্ট মামলার তিনজন সাক্ষী মামলার রেকর্ডিং অফিসার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মৃণাল মজুমদার ও একই শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার রেজাউল হাসান সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ১৮ আগস্ট আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। আদালত এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন গত ১৩ আগস্ট। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ-৪-এ বদলির আদেশ দেন। গত ৫ জানুয়ারি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ১০ ডিসেম্বর আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। তারও আগে ৪ ডিসেম্বর কমিশনের সভায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। গত বছরের ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করেন।