মঙ্গলবার,৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিশু পর্নোগ্রাফির অভিযোগ প্রমাণিত, বিপাকে সাবেক রিয়াল তারকা

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২০
news-image

ঢাকা, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ (স্পোর্টস ডেস্ক): বছরখানেক ধরেই কানাঘুষাটা শোনা যাচ্ছিল। রিয়াল মাদ্রিদ, শালকে ০৪ এর হয়ে খেলা সাবেক জার্মান ডিফেন্ডার ক্রিস্টফ মেটজেল্ডারের কাছে শিশুদের অশ্লীল ছবি ও ভিডিওচিত্র আছে, এই সন্দেহে তাঁর বাসায় হানাও দিয়েছিল পুলিশ, জব্দ করেছিল কম্পিউটার। সে অভিযোগেরই সত্যতা পেয়েছে জার্মান পুলিশ। ডুসেলডর্ফের সরকারি কৌঁসুলি এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে মেটজেল্ডারের নাম সরাসরি না নেওয়া হলেও, বলা হয়েছে, জার্মানির হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ফুটবল তারকার বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বলা হচ্ছে, মেটজেল্ডারের কাছে যে শুধু অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ছিল তাই-ই নয়, তিনি অন্তত আরেকজন মহিলাকেও এসব দিয়েছেন।
তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে শিশু পর্নোগ্রাফির গত সেপ্টেম্বরে তাঁর বাসা তল্লাশি করে একটি কম্পিউটার, একটি মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু আসবাব জব্দ করেছিল জার্মান পুলিশ। বরাবরের মতো সে দিন জার্মানির রাইনের হেনেফ স্পোর্টস স্কুলে কোচিং করাতে গিয়েছিলেন জার্মানির সাবেক তারকা ফুটবলার ক্রিস্টফ মেটজেল্ডার। বুটজোড়া তুলে রাখার পর যিনি বাচ্চাদের কোচিং করিয়েই সময় কাটান। কোচিং করাতে গিয়েই পুলিশের সঙ্গে দেখা হয়ে যার তাঁর। মেটজেল্ডারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ। শুধু তা-ই নয়, মেটজেল্ডারের সঙ্গে তাঁর ডুসেলডর্ফের বাসাতেও হানা দেয় হামবুর্গ পুলিশ। সেখানে গিয়ে সাবেক জার্মান তারকার এক কম্পিউটার জব্দ করে তাঁরা। জার্মানির বিখ্যাত ট্যাবলয়েড পত্রিকা বিল্ড এমনটাই জানিয়েছিল তখন। পরে হামবুর্গের প্রসিকিউটররা বিল্ডের এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। ঘটনার তদন্ত পুরোদমে চলছে, জানিয়েছিলেন প্রসিকিউটররা। সে তদন্তই আলোর মুখ দেখল, প্রায় এক বছর পর। তবে মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার তল্লাশির জন্য জব্দ করা হলেও তখন মেটজেল্ডারকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। আরও তথ্য-প্রমাণ হাতে নেওয়ার পরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছিল। মেটজেল্ডারের এক সাবেক বান্ধবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সেবার তাঁকে অভিযুক্ত করেছিল পুলিশ। জানা গেছে, সেই নারীকে হোয়াটসঅ্যাপে শিশুদের ১৫টি পর্নো ছবি পাঠিয়েছিলেন মেটজেল্ডার। ছবিগুলো পুলিশকে দেখিয়েছিলেন সেই নারী। সেই নারীর ফোনে যে মেটজেল্ডারই ছবিগুলো পাঠিয়েছেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। প্রথমে হামবুর্গ পুলিশ তদন্তের দায়িত্বে থাকলেও, মেটজেল্ডার যেহেতু পূর্ব-রাইন ওয়েস্টফালিয়ার বাসিন্দা হিসেবে তালিকাভুক্ত, পরবর্তীতে ডুসেলডর্ফের কৌঁসুলিরা মামলার ভার নেন।