শুক্রবার,২২শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ভালো পরিবেশের’; একদম তলানিতে বাংলাদেশ

মুক্তখবর :
নভেম্বর ২৩, ২০২০
news-image

ঢাকা, সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০ (স্টাফ রিপোর্টার): নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ভালো পরিবেশের’ দেশের তালিকায় একদম তলানিতে বাংলাদেশ। মাস্টারকার্ড ইনডেক্স অব ওমেন এন্টারপ্রিনিউরস (এমআইডব্লিউই)-এর ২০২০ সালের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের নাম দেখা গেছে ৫৮ নম্বরে। জিডিপিতে অনেক পিছিয়ে থাকা আফ্রিকার দেশ উগান্ডার অবস্থান ৪৩তম। এ বছর বাংলাদেশের স্কোর একটু বাড়লেও সার্বিক অবস্থান এক ধাপ নেমেছে। বিশ্ব ব্যাংক, আইএলও এবং ইউনেসকো থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে চার বছর ধরে ৫৮টি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিশ্লেষণ করা এমআইডব্লিউই সোমবার জানিয়েছে, চলতি বছর সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে ইসরায়েল।

বাংলাদেশ আগের বছর ছিল ৫৭তম স্থানে। ৩৫.৪ স্কোর থেকে উন্নতি করে ৩৬.৪ স্কোর হয়েছে এবার। নারীদের জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসার পরিবেশে বিস্ময়কর উন্নতি করা ইসরায়েল এ বছর নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে ৭৪.৭ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র সেই আগের মতোই দুই নম্বরে। এবার স্কোর ৭৪.০। ১১ নম্বর থেকে তিনে চলে এসেছে সুইজারল্যান্ড, স্কোর ৭১.৫। এক নম্বর থেকে চারে চলে গেছে নিউজিল্যান্ড, তাদের স্কোর ৭০.১। এবার শীর্ষ দশে ঢুকেছে পোল্যান্ড (পঞ্চম), সুইডেন (অষ্টম) এবং স্পেন (দশম)।

সবচেয়ে কঠিন দেশের তালিকায় শেষ সাতটি দেশ তুরস্ক, সৌদি আরব, তিউনিসিয়া, ইরান, মিশর, আলজেরিয়া এবং বাংলাদেশ। তালিকার শেষ তিনটি দেশের (মিশর, আলজেরিয়া এবং বাংলাদেশ) পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত কম’ স্কোরের বলা হয়েছে। এর জন্য ‘কট্টর সমাজব্যবস্থাকে’ দায়ী করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশের পরিস্থিতি: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-কে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সার্বিক অর্থে চলতি বছর অধিকাংশ দেশের নারীদের শেয়ার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে হাতেগোনা যে কয়েকটি দেশে নারীদের শেয়ারের হার বেড়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। গত বছর ছিল ৪.৩ শতাংশ, এবার সেটি ৪.৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনের ‘ওমেন বিজনেস ওনারশিপ’ পরিচ্ছেদে বলা হয়েছে, ব্যবসায় মালিকানার হার এই সময়ে তুলনামূলক কম উন্নত অর্থনীতির দেশ যেমন উগান্ডা এবং ঘানায় বেশ উপরের দিকে। বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণও কম। কর্মজীবী বয়সী নারীদের হার ৩১ শতাংশ, সেখানে ৮১ শতাংশ পুরুষ। প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায় নারী নেতৃত্বেও বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে। দেশে ১০ থেকে ২০ শতাংশ ‘বিজনেস লিডার’ আছেন।