বুধবার,২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

স্পেসএক্স ক্যাপসুল থেকে পৃথিবী দেখতে যেমন

মুক্তখবর :
নভেম্বর ৩০, ২০২০
news-image

ঢাকা, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ (আইটি ডেস্ক): মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। ভিডিওটি ধারণ করেছেন নাসার নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার, যিনি স্পেসএক্স ড্রাগন ক্যাপসুলের চার নভোচারীর একজন। নিজের প্রথম মহাকাশ ভ্রমণে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগছে, সে কথাই ভিডিওতে বলেছেন তিনি। তা প্রকাশ করেছেন টুইটারে। ভিডিওতে দেখা যায়, গ্লোভার জানালার কাছে বসে আছেন, সেখান থেকে মহাকাশের দৃশ্য দেখছেন। তিনি পাইলট ও সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করছেন ড্রাগনে। সঙ্গে জানান, যা দেখছেন তার সঙ্গে ভিডিও’র তুলনা হয় না। এ টিমে গ্লোভারের সঙ্গে আরও আছেন নাসার মাইকেল হপকিন্স ও শ্যানন ওয়াকার এবং জাপানের সোইচি নোগুচি। কয়েক দিন আগে গ্লোভার টুইটে একটি ছবি শেয়ার করে বলেন, এটি তার নতুন বাড়ি। এই নভোচারীরা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) সামনের মাসগুলোতে কাজ করবেন। গ্লোভার হচ্ছেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ যিনি আইএসএসে পূর্ণকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। যদিও ১৯৮৩ সাল থেকে এক ডজনের বেশি কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান মহাকাশে ভ্রমণ করেছেন। চার নভোচারী নিয়ে ১৫ নভেম্বর স্পেসএক্সের রকেট যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। যাকে মহাকাশ অভিযানে নতুন যুগের সূচনা বলে উল্লেখ করেছে দেশটির মহাকাশ সংস্থা নাসা। এটি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের অর্থায়নে গড়ে ওঠা প্রাইভেট কোম্পানি স্পেসএক্সের মনুষ্যবাহী দ্বিতীয় ফ্লাইট, যা এখন থেকে নাসার নভোচারীদের মহাকাশে প্রেরণ করবে। রাশিয়ার সুয়োজ রকেটের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতার নয় বছর পর এটি চালু হলো। নাসা বলছে, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় লো-আর্থ অরবিটে নভোচারীদের রুটিন যাত্রায় নতুন যুগের সূচনা হলো। এ অভিযানে বিরল রেকর্ড গড়েছেন জাপানিজ স্পেস এজেন্সি (জাক্সা)-র সোইচি নোগুচি। পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে ভ্রমণে তিনটি ভিন্ন ধরনের মহাকাশযান ব্যবহার করলেন তিনি। এর আগে সুয়োজ ও শাটলযানে ভ্রমণ করেন নোগুচি। চার নভোচারী আইএসএসে আগে থাকা এক মার্কিন ও দুই রাশিয়ান নভোচারীর সঙ্গে যোগ দেন। এই চার নভোচারীকে ‘ক্রু ওয়ান’ বলে ডাকা হচ্ছে। তারা আগামী ছয় মাস সেখানে অবস্থান করবেন। তারা বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। মহাকাশে হাঁটার পাশাপাশি স্পেস স্টেশনের মেরামত করবেন। এ দিকে নাসার সঙ্গে মহাকাশ গবেষণায় ৩০০ কোটি ডলারের উচ্চাভিলাষী চুক্তি রয়েছে স্পেসএক্সের। এর আওতায় নভোচারীদের জন্য ট্যাক্সি সেবার উন্নয়ন, পরীক্ষা ও উড্ডয়নের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানটি।