রবিবার,১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আ’লীগের সাবেক এমপি পুত্রের বিরুদ্ধে জমি দখল করে মাছের ঘের নির্মানের অভিযোগ

মুক্তখবর :
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
news-image

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি পুত্র সমবায় অধিদপ্তরের অবসরভোগী এক কর্মচারীর ১ দশমিক ৬৫ একর জমি দখল করে মাছের ঘের তৈরির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আঃ হালিম সন্যামত এ সংবাদ সম্মেলন করেন। জমি দখলে বাঁধা দিলে এমপি পুত্রের ক্যাডার বাহিনী হকিষ্টিক, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে ভুক্তভোগীদের। এনিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি সহ খুন জখমের ভয়ভীতি দেয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উপজেলার জে.এল নং ১৪, লালুয়া মৌজায় এসএ খতিয়ান নং ৮২,১২৭,১১১ দাগ নং ৩৩০, ৩৩৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৩২, ৩৩৫, ৩৩৮, ৩৩১ থেকে ফুল গাজী ও আর্শে¦দ গাজীর মোট ৪২ দশমিক ১৩ একর থেকে রেজিষ্টিকৃত ৮১৫ ও ৩৮২২ দলিলের মাধ্যমে সমবায় অধিদপ্তরের অবসরভোগী কর্মচারীর লাল মোহাম্মদ সন্যামত ১৯৮৯ সালে ১ দশমিক ৬৫ একর জমি ক্রয় করেন। এরপর দীর্ঘ ৩৩ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছেন তিনি। নয় বছর পর ১৯৯৮ সালে ওভার সেল দলিলের মাধ্যমে উক্ত জমি ক্রয় করেছে আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি মোঃ আনোয়ার উল ইসলাম’র ছেলে ও উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভিন সীমা’র ভাই আওয়ামীলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল ইসলাম লিটন । গত ৬ ফেব্রুয়ারি লালুয়া ইউনিয়নেরর চারিপাড়া গ্রামে আবদুল্লাহ আল ইসলাম লিটন ক্যাডার বাহিনী নিয়ে উক্ত জমির পাশে ৫ ফুট, লম্বায় ২হাজার ৫৮ফুট ভ্যাকু মেশিন দিয়ে কেটে মাছের ঘের তৈরি করে । এ সময় লাল মোহাম্মদ সন্যামত বাধা দিলে হকিষ্টিক, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে লাল মোহাম্মদ সন্যামত, স্ত্রী মোসা: সালমা বেগম ও ছেলে মোঃ মামুন সন্যামতকে গুরুতর আহত করা হয়। এরপর কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লাল মোহাম্মদ সন্যামত ( মামলা নং ৬/২০২১) ও কলাপাড়া উপজেলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আঃ হালিম সন্যামত (মামলা নং-১৫৩/২০২১) মামলা করেন। এসব মামলা দায়ের করার পর থেকে বাদী পক্ষকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি সহ খুন জখমের ভয়ভীতি দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে মামলার বাদী ও স্বাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।bএ বিষয়ে আবদুল্লাহ আল ইসলাম লিটন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ’আমরা কাউকে পিটাইনি। কারো জমি দখল করে মাটি কাটিনি। আমরা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে মাছের ঘের করছি।’