রবিবার,১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আনুশকা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ মার্চ

মুক্তখবর :
মার্চ ২, ২০২১
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১ (স্টাফ রিপোর্টার): ফারদিন ইফতেফার দিহানের (১৮) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২১ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেলের এক শিক্ষার্থীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার বিরুদ্ধে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। মঙ্গলবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান প্রতিবেদন দাখিল না করে সময়ের আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন ধার্য করেন। কলাবাগান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক স্বপন কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দিহান হত্যার দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। স্কুলছাত্রী (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা ৭ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর কলাবাগান থানায় একটি মামলা করেন । মামলায় ফারদিন ইফতেফার দিহানকে (১৮) আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। এই মামলার একমাত্র আসামি ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছান। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে কলাবাগান থানা-পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় বলে উল্লেখ করা হয় এজাহারে।