বুধবার,১৪ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সাবরিনার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ৫ এপ্রিল

মুক্তখবর :
মার্চ ৩, ২০২১
news-image

ঢাকা, বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১ (স্টাফ রিপোর্টার): প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি করার অভিযোগের মামলায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সাবেক চিকিৎসক সাবরিনা শারমিন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৫ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (৩ মার্চ) ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ নতুন এ দিন ধার্য করেন। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ধার্য থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় এ দিন ঠিক করেছেন আদালত। গত বছরের ৩০ আগস্ট বাড্ডা থানায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া। ২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় মামলাটি করা হয়। ইসি সূত্রে জানা গেছে, ডা. সাবরিনার দুই এনআইডিতে স্বামীর নাম দু’রকম উল্লেখ করা হয়েছে। একটি এনআইডির চেয়ে অন্যটিতে বয়স কম দেখানো হয়েছে। বর্তমান তার দুটি এনআইডি-ই ব্লক করে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে। করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ এনে গত ২৩ জুন তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। মামলায় পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে একাধিক ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড।উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ জুলাই দুপুরে ডা. সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপপুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।