রবিবার,১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কুয়াকাটায় বৌদ্ধ বিহারের সম্পত্তি থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের দাবীতে রাখাইনদের মানববন্ধন

মুক্তখবর :
মার্চ ৭, ২০২১
news-image

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া: কুয়াকাটার মিশ্রিপাড়া রাখাইন সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের দাবিতে মন্দির কমিটির উদ্যোগে (শনিবার) বেলা ১১ টায় মানব বন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে। রাখাইন সম্প্রদায়ের শতাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধন কর্মসূচীতে সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের পুরোহিত উত্তম ভিক্ষু, বেতকাটা বৌদ্ধ বিহারের প্রতিনিধি মংচো তালুকদার, পক্ষিয়াপাড়া বৌদ্ধ মন্দিরের প্রতিনিধি অংজোয়ে, পটুয়াখালী বুদ্দিষ্ট ওয়েল ফেয়ার এসাসিয়েশনের সভাপতি এমং তালুকদার ও নারী রাখাইন মাচুষে মধ্যে বক্তব্য রাখেন। মন্দিরের পুরোহিত উত্তম ভিক্ষু জানান, ১৯১১ সালে স্থানীয় রাখাইন সম্প্রদয়ের লোকজনের উপাসনা ও ধর্মীয় শিক্ষার লক্ষে এ সীমা বৌদ্ধ মন্দিরটি স্থাপিত হয়। এশিয়া মহাদশের অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধ মূর্তিটি এ মন্দিরে স্থাপিত হওয়ার কারনে এখানে দেশি বিদেশী অনেক পর্যটকের সমাগম ঘটে। জার্মান সরকারের অর্থায়নের ১.৮৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ মন্দিরটি ২০১৩ সালে রুপায়ন করা হয় এবং চারদিকে সীমানা দেয়াল ও কাটা তারের বেড়া দেয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় কতিপয় অসাধু লোক মন্দিরের সামনের জায়গা দখল করে ব্যবসায়িক স্থাপনা তুলে দখলে নেয়। মানবিক কারনে মন্দির কর্তৃপক্ষ ওইসব স্থাপনা এতদিন বহাল রাখলেও সেগুলো মন্দিরের সৌন্দর্য বিনষ্ট করায় সম্প্রতি দখলদারকে তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে অনুরোধ করা হয়। এতে উল্টো জমির মালিকানা দাবী করে স্থানীয় হাজী মোহাম্মাদ সেকান্দার আলী রাখাইনদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মামলা করেন। যার দেওয়ানী মোকাদ্দমা মামলা নং ৫৯/২০২১। এ ব্যাপারে পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জি এম সরফরাজ সাংবাদিকদের জানান, রাখাইনদের অভিযোগ পেয়েছি। কাগজপত্রসহ উভয়পক্ষকে ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।