শুক্রবার,৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ক্রেতা সংকটে লোকসান গুনছেন তরমুজ বিক্রেতারা

মুক্তখবর :
এপ্রিল ১৯, ২০২১
news-image

গোফরান পলাশ :  পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও করোনা সংক্রমন রোধে সরকারী নিষেধাজ্ঞার লকডাউনে পড়ায় ক্রেতা সংকটে লোকসান গুনছে তরমুজ ব্যবসায়ীরা। এতে স্থানীয় বাজারগুলোতে তরমুজের চাহিদাও কমে গেছে। এছাড়া অনেকের মজুদ করা তরমুজ পচঁন ধরতে শুরু করেছে বলে স্থানীয় তরমুজ ব্যবসায়িরা জানিয়েছেন। তরমুজ ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধানখালী, চম্পাপুর, লতাচাপলী, ধুলাসার ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক এর সুফল পেয়েছে। লকডাউনের আগে অন্ততঃ অধিকাংশ চাষী তাদের ক্ষেত বিক্রি করতে পেরেছে বিধায় চাষীরা ভাল দাম পেয়েছে তরমুজ’র। তবে খুচরা বিক্রেতারা ট্রাক মূলে তরমুজ ক্রয়ের পর হঠাৎ লকডাউন’র ঘোষনা আসায় বাজারে লোক সমাগম কমে গেছে। ফলে দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট। তরমুজ ব্যবসায়ী ইউনুচ জানান, লকডাউন এর কারনে ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে বাজার। দুই চারটা যা বিক্রি করছি তাও ভাল দাম পাচ্ছি। ব্যবসায়ী মো. জলিল জানান, তিনি এক সপ্তাহ আগে তরমুজ কিনেছেন। বিক্রি কম হওয়ায় তার কিছু কিছু তরমুজে পচঁন ধরেছে। অপর তরমুজ ব্যবসায়ী মো. আনসার আলী জানান, তার সহস্রাধিক পিস তরমুজ কেনা ছিল। লকডাউনের পর থেকে ক্রেতা কমে যাওয়ায় তরমুজ বিক্রি করতে পারেননি। আগে ভাগেই তরমুজ ক্ষেত কিনে বিপাকে পড়েছেন তিনি। বিক্রি করে উঠতে পারলে ভাল। না হয় লোকসান’র বোঝা বহন করতে হবে বলে এই তরমুজ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, ’এ উপজেলায় ১৫’শ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। ফলনও ভাল হয়েছে। লকডাউনের আগে অধিকাংশ চাষীরা ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি করে দিয়েছে। ওইসময় তারা দামও ভাল পেয়েছে।