মঙ্গলবার,৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বাগেরহাটে করোনা সংক্রমণের হার ৪৯ শতাংশ, মৃত্যু ১

মুক্তখবর :
জুন ২২, ২০২১
news-image

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১ (নিজস্ব প্রতিনিধি): বাগেরহাটে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার ভোর ছয়টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত) একজনের মৃত্যু হয়েছে। ১১২টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৫৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সংক্রমণের হার ৪৯ শতাংশ। যা গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলাতে ১৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। সেখানে সংক্রমণের হার ৪৫ শতাংশ। যা গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় ২২ শতাংশ কম।

এই নিয়ে বাগেরহাট জেলায় করোনাভাইরাসে সংক্রমণে প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল দুই হাজার ৬৮৫জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭০০ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৭ জন বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়। এদিকে, জেলার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলায় তৃতীয় দফায় বাড়ানো সাত দিনের কঠোর বিধি ঢিলেঢালাভাবে চলছে। কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের চলাফেরা বেড়েছে।

জনসমাগমের উৎসস্থল হাটবাজারে মানুষের উপচেপড়া ভিড়। প্রশাসনের আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধ কেউ মানছেন না। নৌকাতে গাদাগাদি করে যাত্রী পারাপার চলছে। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। প্রশাসনের আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার। তারা বলেন, বাগেরহাটে সংক্রমণ বাড়ছে। সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। হাট বাজারে মানুষ মাস্ক ছাড়া ঘোরাঘুরি করছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনার সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রশাসনকে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, বাগেরহাট জেলায় গত দুই সপ্তাহ ধরে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলায় সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশ। প্রথমে মোংলাতে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। পরে তা আশপাশের উপজেলাগুলোতেও ছড়াচ্ছে। হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে। সংক্রমণ রোধের একটাই উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে লকডাউন দিয়ে কোনো উপকারে আসবে না। সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, নিজে সুস্থ থাকুন অপরকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।