রবিবার,১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

করোনায় খুলনাতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

মুক্তখবর :
আগস্ট ২, ২০২১
news-image

ঢাকা, সোমবার, ০২ জুলাই ২০২১ (নিজস্ব প্রতিনিধি): খুলনার চার হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে একজন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে একজন, গাজী মেডিকেল হাসপাতালে দুজন এবং শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় সদর থানা এলাকার জোবেদা (৭৭) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১২০ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ৪০ জন, ইয়েলো জোনে ৪৭ জন, আইসিইউতে ২০ জন এবং এইচডিইউতে ১৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৯ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৪ জন।

খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- নগরীর পূর্ববানিয়াখামার এলাকার তাহেরা বেগম (৬২) ও মোল্লাহাটের চরকুলিয়ার সালমা আক্তার (৬০)। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৪১ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জন রোগী ভর্তি হয় আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ছয়জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে রূপসার হাওয়া বেগম (৬৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৫ জন। তার মধ্যে ১৮ জন পুরুষ আর ২৭ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনজন। খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৬৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১০ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ জন। আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ১০ জন এবং এইচডিইউতে তিনজন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- নগরীর করিমনগরের নজরুল ইসলাম (৫৮) ও নড়াইল লোহাগড়ার মো. মশিউল আজম (৭১)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬২ জন। আইসিইউতে রয়েছেন পাঁচজন এবং এইচডিইউতে সাতজন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৮জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচজন।