রবিবার,১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

দূর্বিষহ ভোগান্তির কাঁচা রাস্তাগুলোই আজ পাথর ডালাই পাকা রাস্তা!

মুক্তখবর :
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
news-image

ফয়জুল ইসলামঃ এইতো সেদিন যেখানে ছিলো কাদায় ভরপুর চলাচল অনুপযোগী কাঁচা রাস্তা, সেগুলোই আজ দৃষ্টিনন্দন পাকা রাস্তায় রুপ নিয়েছে। ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের অবস্থা দেখতে সরেজমিনে গেলে বিষয়টি সামনে আসে। যেখানে সাভার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চলাচলের রাস্তার ভয়াবহতায় সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই, সেখানে ধামসোনা ইউনিয়নবাসী বললেন ভিন্ন কথা। গতকাল সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডেন্ডাবর মধ্যপাড়া থেকে বান্দুর পুকুর পাড় হয়ে নরিঙ্গার টেক নবীন গার্মেন্টস এর মোড় পর্যন্ত রাস্তা পরিদর্শনকালে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা হয়। মোঃ খোকন শিকদার জানান, আমি এই এলাকার বাসিন্দা, দীর্ঘদিন এই এলাকায় বসবাস করছি। আগের চেয়ে এখন এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা অনেক ভালো। আমরা সুন্দরভাবে চলাচল করতে পারছি এজন্য সাইফুল চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় শফিউদ্দিন মেম্বার কে অনেক ধন্যবাদ জানাই। গৃহবধূ রেহানা বেগম বলেন, আমি দীর্ঘদিন এই এখানে বসবাস করছি। আগে এখানকার রাস্তাঘাট ভালো ছিলো না, যাতায়াতে আমাদের অনেক কষ্ট হইতো। এখন মনের আনন্দে রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করি। হোটেল ব্যবসায়ী মোঃ শহীদুল দীর্ঘ এক যুগ ধরে বসবাস করছেন নরিঙ্গার টেক এলাকায়। তিনি জানান, ধামসোনা ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের যেভাবে উন্নয়ন হয়েছে, আমার জীবনে এরকম উন্নয়ন অন্য কোথাও দেখি নাই। চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কেবল ধামসোনা ইউনিয়নের রাস্তাঘাটেরই উন্নয়ন করেন নাই, এখানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সহ অপরাধের হার অন্য ইউনিয়নের চেয়ে কম। আমরা ইউনিয়নবাসী শান্তিতে বসবাস করছি। স্থানীয় মেম্বার শফিউদ্দিন ভাই এবং চেয়ারম্যান সাইফুল ভাই আমাদের নিয়মিত খোঁজখবর নেন। ভালোই আছি আমরা। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, এই রাস্তা তৈরীর সময় এলাকার অনেক প্রভাবশালী যারা রাস্তার জায়গা দখল করে তাদের স্থাপনা তৈরী করে দখলে ছিলেন, চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম নক্সা ধরে ধরে সেসব স্থাপনা সরিয়ে দিয়েই এমন দৃষ্টিনন্দন রাস্তাগুলো বানিয়েছেন। সুন্দর ড্রেনেজ ব্যবস্থা সম্বলিত এসব রাস্তায় পানি জমে থাকে না, নোংরা ও ময়লা দিয়েও রাস্তার বিভিন্ন অংশ পরিপূর্ণ আছে এরকম দৃশ্যও চোখে পড়েনা। এব্যাপারে জানতে চাইলে স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ শফিউদ্দিন জানান, বিগত পঞ্চাশ বছরে স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নে যে উন্নয়ন হয়নি, জনন্দিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আসার পরে ধামসোনার চিত্রটা পাল্টে দিয়েছেন। যেখানে ছিলো কাদা, মানুষ চলতে পারতো না, সেখানে আজ চমৎকার পাকা, টেকসই ও মজবুত রাস্তা! সারা দেশের ভেতরে তূলনাযোগ্য এই রাস্তা, আমার মনে হয় ৫০ বছরেও এই রাস্তার কিছু হবে না। জনগনের চাহিদার ভিত্তিতে এমন টেকসই রাস্তা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম করে দিয়েছেন। আমরা যখনই এসব ব্যাপারে তার কাছে আবদার করেছি, ১০০ ভাগ টেকসই রাস্তা বানাতে হবে এমন শর্ত দিয়েই তিনি কাজ করেছেন। আরেকটি বিষয় রয়েছে, অবৈধ দখলদারীদের হটিয়ে তিনি সরকারি রাস্তার জায়গায় রাস্তা নির্মান করেছেন। তাঁর এই দুঃসাহসিক মনোভাবের কারণেই মূলত ধামসোনার চিত্র পালটে গেছে। আমরা গর্বিত ও আনন্দিত এমন একজন দেশপ্রেমিক চেয়ারম্যান পেয়ে। উল্লেখ্য, সাভারের অন্য ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থায় যখন জনজীবনে চলাচলে দুর্ভোগের পাহাড় নেমে এসেছে, সেক্ষেত্রে ধামসোনাবাসী ফেলছেন স্বস্তির নিঃশ্বাস! এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এক্ষেত্রে তাঁর কর্মের নিরিখে অন্যদের দৃষ্টান্ত হতে পারেন বলেও জানান স্বনির্ভর ধামসোনাবাসী।